মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণ ভিসা ২০২৩
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ একটি ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র এটির অবস্থান প্যাসিফিক মহাসাগরে। এটি ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত। এই দেশটির মোট আয়তন ১৮১ বর্গ কিলোমিটার। অনেক ছোট্ট একটি দেশ। দেশটিতে মোট জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ৬৮ হাজার।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ একটি স্বতন্ত্র দেশ যা মার্শাল দ্বীপ সমূহ নামে পরিচিত লাভ করে। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের আবাসস্থল দ্বীপগুলো হল, মাজুরো, কোইলিং। প্রাকৃতিক সৌন্দরের জন্য পরিচিত লাভ করে। দেশটিতে পর্যটকদের জন্য মহাসাগরিক জীবনের অনুভব করার মধ্যে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ একটি গন্তব্যস্থান।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণ ভিসা ২০২৩
আজকেরে আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সঙ্গে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভ্রমণ ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। এই আলোচনা থেকে আপনারা জানতে পারবেন যে সকল তথ্যগুলো তা হল। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে কত টাকা লাগে।
বাংলাদেশ থেকে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যাওয়া সম্ভব কিনা। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের কিছু দর্শনীয় স্থানের নাম ইত্যাদি। চলুন এই সকল বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়া যাক।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ কোথায় অবস্থিত
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত। প্যাসিফিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এই দ্বীপটির উত্তর-পত্রে হাওয়াই এবং দক্ষিণে পাপুয়া নিউগিনি অবস্থিত। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ অনেকেই ভ্রমণ করতে যেতে চান। আপনারা অনেকেই এই দেশটির নাম শুনেছেন অথবা জানেন। কিন্তু কোথায় অবস্থিত এ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। উক্ত আলোচনা থেকে ইতিমধ্যে আপনারা বুঝতে পেরেছেন এই দেশটি কোথায় অবস্থিত।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে কত টাকা লাগে
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে কত টাকা খরচ হয় এটা আপনারা নিকটস্থ কোনো এজেন্সির মাধ্যমে থেকে জেনে নিতে পারেন। এই দেশটি অন্যান্য অন্য দেশের মতো ততটা পরিচিত নয়। যে কারণে এই দেশটি সম্পর্কে আপনি ইউটিউব অথবা গুগলে তেমন বেশি তথ্য পাবেন না। তাই আপনারা সঠিক তথ্য জানতে চাইলে নিকটস্থ কোনো এজেন্সি থেকে জেনে নিতে পারেন।
নিচে একটি লিঙ্ক দেওয়া রয়েছে যে লিংক এর মাধ্যমে আপনারা তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে সরাসরি বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং বিভিন্ন দেশের ভিসা খরচ ইত্যাদি তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন। ওয়েবসাইট লিংকটি হলোঃ- বাংলাদেশ ন্যাশনাল পোর্টাল আপনারা এই লিঙ্কে প্রবেশ করে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারেন।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের যেতে হলে আপনার বেশ কিছু ডকুমেন্টস বা কাগজপত্রের প্রয়োজন হবে। যে সকল কাগজপত্র গুলো অন্যান্য দেশে যেতে ও প্রয়োজন হয়। যে সকল ডকুমেন্টস গুলো প্রয়োজন হবে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
- প্রথমত আপনার একটি পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে। পাসপোর্টে মেয়াদ ছয় মাসের বেশি হতে হবে।
- ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফ্রম এর প্রয়োজন হবে। অবশ্যই আপনাদের ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্মটি সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ থাকতে হবে।
- আপনার ছবির প্রয়োজন হবে, ছবিটি অবশ্যই সদ্য তোলা হতে হবে।
- কভার লেটার এর প্রয়োজন হবে এবং ফরওয়ার্ডিং লেটার (যদি থাকে)
- আপনি এই দেশটিতে কেন ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন তা উল্লেখ করতে হবে।
- আপনার অফিসের আইডি কার্ড এর প্রয়োজন হবে।
- আপনি যদি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে স্টুডেন্ট কপির প্রয়োজন হবে।
- আপনার এনআইডি কার্ড এর প্রয়োজন হবে।
- পার্সোনাল ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
- করোনার টিকা কার্ড।
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
- এয়ারলাইন্স টিকেট।
- হোটেল রিজার্ভেশন এই সকল কাগজপত্র প্রয়োজন হবে।
এছাড়াও যদি আরো অন্যান্য কাগজপত্র প্রয়োজন হয় তবে আপনি যে এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন তারা আপনাদেরকে সেই সকল ডকুমেন্টস বা কাগজপত্র গুলো সম্পর্কে পূর্বেই জানিয়ে দেবেন।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের দর্শনীয় কিছু স্থান
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে অন্যান্য দেশ থেকে মানুষ এসে থেকে মূলত ভ্রমণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে। আপনি যদি ভ্রমণ প্রিয় মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনার জন্য এই দেশটি কিছু সুন্দর সুন্দর স্থান ভ্রমণ করাতে পারে। দেশটি ছোট হওয়া সত্ত্বেও বেশ কিছু প্রমুখ দর্শনের স্থান রয়েছে। যেগুলো ভ্রমণ করে আপনি মুগ্ধ হবেন। চলুন মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের দর্শনীয় কয়েকটি স্থানের নাম জেনে নেওয়া যাক।
কাবোয়াঃ- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপপুঞ্জ এটি। এখানে পানীয় সান্নিধ্য এবং সমুদ্র খেলার জন্য জনপ্রিয় একটি স্থান। আপনারা যদি ভ্রমণ করতে যান তবে এই স্থানটি ভ্রমণ করতে ভুলবেন না।
ইবে আই দ্বীপঃ- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের বড় বা বিখ্যাত দ্বীপগুলোর মধ্যে এটি একটি। আপনি এখান থেকে সূর্য অস্তের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটি উপভোগ করতে পারবেন। এই দীপ্তিতে ১৫০০০ এর বেশি জনসংখ্যা রয়েছে। তবে আপনারা জানলে অবাক হবেন যে এখানে অধিকাংশই ১৮ বছর এর কম বয়সের।
আর্নো এটলঃ- এই স্থানটি তিনটি বৃহৎ জলের সংস্থাধারা পরিবেষ্টিত, এটার মাঝখানে একটি বড় অংশ রয়েছে এবং উত্তর ও পূর্ব দিকে দুটি ছোট ছোট অংশ রয়েছে। এখানে আপনারা সমুদ্রের সুন্দর বিশুদ্ধ নীল জল দেখতে পারবেন। আপনি যদি একজন প্রকৃতি প্রেমিক হয়ে থাকেন তবে এই স্থানটি আপনাকে অনেক মুগ্ধ করবে। আপনারা এখান থেকে বেশ মুগ্ধকর জিনিস দেখতে পারবেন।
আরো জানতে ভিজিট করুন